https://agroseedzone.xyz/
উন্নত অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা সম্পন্ন ঐতিহ্যবাহী লাল চালের এক অন্যতম সেরা জাত। সঠিক পরিচর্যায় প্রতি বিঘায় ১৮–২০ মণ পর্যন্ত বাম্পার ফলন এবং বাজারে সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য পাওয়ার সেরা সুযোগ।
সবচেয়ে জনপ্রিয় অর্ডার প্যাকেজগুলো কিনুন পাইকারি রেটে
বৃহৎ চাষ ও সর্বোচ্চ মুনাফার জন্য সেরা
স্টক বাকি আছে আর মাত্র ৪৭ কেজি!
লাল বিন্নি ধান বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী লাল চালের জাত। এর অনন্য লালচে রং, মনকাড়া স্বাদ, উন্নত পুষ্টিগুণ এবং বাজারে দারুণ চাহিদার কারণে এর গ্রহণযোগ্যতা বেড়েই চলেছে।
সাধারণ সাদা চালের তুলনায় বাজারে লাল বিন্নি চাল অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়। এর ফলে কৃষকরা পরিশ্রমের সঠিক মূল্য ও দ্বিগুণ মুনাফা পান।
উচ্চ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন হওয়ায় আমাদের দেশীয় আবহাওয়ায় সহজে খাপ খায়। অতিরিক্ত রাসায়নিক বা কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
ডায়েটারি ফাইবার, আয়রন, জিংক ও উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। স্বাস্থ্যসচেতন আধুনিক ভোক্তাদের নিকট এর রয়েছে বিশাল চাহিদা।
আমাদের সংগৃহীত বীজসমূহ অত্যন্ত সুষম আকৃতির এবং রোগ-বালাই ও আগাছামুক্ত। যার কারণে বীজতলায় অসাধারণ অঙ্কুরোদগম হার পাওয়া যায়।
সতর্কতা: বাজারে কম দামের অনেক ভেজাল বীজ বা খাওয়ার চালকে বীজ হিসেবে বিক্রি করা হয়। আসল ঐতিহ্যবাহী লাল বিন্নি চালের বিশুদ্ধ স্বাদ এবং ভালো ফলন পেতে সবসময় পরীক্ষিত ও সঠিক মানের সোর্স থেকে বীজ সংগ্রহ করুন।
আমাদের সংগৃহীত লাল বিন্নি বীজসমূহ কঠোর ল্যাব টেস্ট ও মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষার পর সরাসরি কৃষকদের জন্য সরবরাহ করা হচ্ছে। বীজ বপন থেকে শুরু করে ফলন কাটা পর্যন্ত সঠিক গাইডলাইন ও পরিচর্যা করলে আপনি বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ রিটার্ন পাবেন।
জীবনকাল ১২০-১৩০ দিনের মধ্যে হওয়ায় ফসল কাটার পর কৃষকরা পরবর্তী ফসল রোপণের জন্য মাটিতে পর্যাপ্ত সময় ও আর্দ্রতা পেয়ে থাকেন।
প্রতিটি শীষে ধান চিটা হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না। দানাগুলো সম্পূর্ণ পুষ্ট, ভারী এবং দেখতে আকর্ষণীয় উজ্জ্বল লালচে চকচকে রঙের হয়।
গাছের কান্ড অত্যন্ত শক্ত ও মজবুত হওয়ায় প্রবল বাতাসে ঝুলে বা ভেঙে পড়ে না। দেশীয় প্রধান প্রধান ক্ষতিকর পোকা ও ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।
সঠিক পদ্ধতিতে পরিচর্যা করলে অল্প জমিতেও আশাতীত ফলন পাওয়া সম্ভব। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদক্ষেপ তুলে ধরা হলো:
অঙ্কুরোদগম সাফল্য পেতে শতভাগ পরীক্ষিত ও বিশুদ্ধ মানের বীজ নির্বাচন করা অন্যতম প্রধান ও মৌলিক শর্ত।
জমি ৪-৫টি গভীর চাষ ও মই দিয়ে আগাছামুক্ত করে কাদা-মাটি নরম ও লেভেল করে তৈরি করুন।
মাটির স্বাস্থ্য বুঝে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও জৈব সার সঠিক সময়ে সুষম মাত্রায় ব্যবহার করুন।
চারার প্রাথমিক বাড়ন্ত সময়ে এবং শীষ বের হওয়ার মুহূর্তে জমিতে আর্দ্রতা নিশ্চিত করুন এবং আগাছা মুক্ত রাখুন।
জমিতে নিয়মিত খোঁজ রাখুন। কোনো রোগ বা পোকার আক্রমণ লক্ষ্য করলে দ্রুত প্রয়োজনীয় নিরাপদ জৈব বা রাসায়নিক ব্যবস্থা নিন।
শীষের শতকরা ৮০ ভাগ ধান সোনালী-লালচে পাকা রঙ ধারণ করলেই দেরি না করে সময়মতো সাবধানে ধান কেটে সংগ্রহ করুন।
লাল বিন্নি চালে রয়েছে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান, যা আপনার পরিবারের দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা প্রদান করে।
হজমে অসাধারণ সাহায্য করে এবং অন্ত্র বা পেটের দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বা ফ্রি-রেডিকেল দূর করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে।
রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে এবং শিশু ও মায়েদের শারীরিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান সরবরাহ করে।
খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ও রক্তনালী সুস্থ রেখে হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।
এর জটিল শর্করা (Complex Carbs) শরীরে ক্লান্তি দূর করে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং সারাদিন কাজ করার শক্তি জোগায়।
লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হওয়ার কারণে রক্তে হঠাৎ করে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায় না, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ খাদ্য।
সরাসরি চাষীদের স্বার্থে এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে পাইকারি দামে দিচ্ছি আসল প্রিমিয়াম লাল বিন্নি বীজ।
ছোট জমিতে পরীক্ষা করার জন্য উপযোগী
মাঝারি বা বসতবাড়ির বাগানের জন্য
১ বিঘা জমির জন্য আদর্শ বা বাৎসরিক চাষে
বৃহৎ বাণিজ্যিক ও লাভজনক উৎপাদন
যৌথ বা বড় খামারি ও সমবায় চাষিদের জন্য
"আমি গত বছর ৪ কেজি বীজ নিয়ে হাফ বিঘা জমিতে চাষ করেছিলাম। বীজের শতভাগ গজিয়েছিল। ধান কাটার পর চালের স্বাদ ছিল অসাধারণ আর খড় অনেক শক্ত ছিল। এবার ৬ কেজি নিলাম।"
"অর্গানিক চাল বিক্রির জন্য আমি সরাসরি চাষীদের দিয়ে এই ধান রোপণ করাই। এই বীজে ফলন খুব ভালো এসেছে আর বাজারে এর চালের কেজি ১৫০ টাকার উপরে সহজে বিক্রি হয়।"
"কুরিয়ারে বীজ হাতে পেয়ে তারপর টাকা পরিশোধ করেছি। মান খুব ভালো ছিল, প্রতিটি ধান সমান পুষ্ট ও ময়লামুক্ত। বীজ রোপণ করে খুবই চমৎকার রেজাল্ট পেয়েছি।"
লাল বিন্নি ধানের বীজ আমন মৌসুমে (আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে বীজতলা তৈরি এবং শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে চারা রোপণ) বপনের জন্য উপযুক্ত। এছাড়াও বোরো বা স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী সেচ সুবিধা থাকলে আবহাওয়া বুঝে চাষ করা যায়।
ঢাকা জেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাধারণ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং ঢাকার বাইরে যেকোনো দূরবর্তী জেলায় ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি সম্পন্ন করা হয়ে থাকে।
আমাদের বীজসমূহ ল্যাব টেস্টে ৯৫% এর বেশি অঙ্কুরোদগম সাফল্যের রেকর্ডধারী। সঠিক নিয়মে পানি বা ড্রাম ট্রিটমেন্ট দিয়ে বীজতলা করার পরও যদি গজানোর বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে, আমরা বিনা মূল্যে বীজ প্রতিস্থাপন অথবা মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিয়ে থাকি।
১ মিনিট আগে
৬ কেজি প্রিমিয়াম লাল বিন্নি ধানের বীজ অর্ডার করেছেন!
নিচে আপনার ডিজিটাল রশিদ (মেমো) তৈরি করা হলো।